Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts

Wednesday, 2 October 2019

শরীর সুস্থ রাখার জন্য যে সকল দিকে  খেয়াল রাখা জরুরি

শরীর সুস্থ রাখার জন্য যে সকল দিকে খেয়াল রাখা জরুরি

শরীর সুস্থ রাখার জন্য যে সকল দিকে  খেয়াল রাখা জরুরি.....


পনার উচ্চতা কত? ধরুন ৬ ফুট। আচ্ছা এই ৬ ফুট শরীরটার সম্পর্কে কোনও জ্ঞান আছে আপনার? নেই তো! আরে না না ভাববেন না আপনি এক, এই লাইনে আরও অনেকে দাঁড়িয়ে। সমীক্ষা বলছে প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ মানুষই নিজের শরীর সম্পর্কে সামান্যটুকু খোঁজ খবরও রাখেন না। এই যেমন ধরুন ক্ষিদে পায় বলে আমরা সবাই খেয়ে থাকি। কিন্তু কেমন খাবার শরীরে জন্য ভাল সে সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি কি?
প্রতিদিন আমাদের শরীরকে সচল রাখতে বেশ কিছু উপাদানের প্রয়োজন পরে। ঠিক যেমন গাড়ি চালাতে গলে পেট্রলের প্রয়োজন পরে। এই উপাদানগুলি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে খাবারের মাধ্যমে। তাই তো চোখ বুজে খাওয়া-দাওয়া না করে এই বিষয়ে একটু সচেতন হন। এমনটা করলে উপকার মিলবে দেখবেন। তাই তো জেনে নিন দৈনিক ভিটামিন বি-এর প্রয়োজন কেন পরে আমাদের শরীরের। প্রসঙ্গত, ভিটামিন বি ছাড়াও আরও অনেক খনিজেরও দরকার পরে প্রতিদিন। কিন্তু আজকের এই প্রবন্ধে লাইম লাইট ফেলা হবে কেবল মাত্র এই ভাটিমিনটির উপরই।আমাদের শরীরকে চাঙ্গা রাখতে ভিটামিন বি-এর কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। কারণ সারা দিনে শরীরের অন্দরে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, তার চিকিৎসা মূলত এই ভিটামিনটিই করে থাকে। সেই সঙ্গে আরও নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব রয়েছে ভিটামিন বি-এর উপর।
তবে তাই বলে ভাববেন না এই কাজগুলি সবই ভাটিমিন বি একা করে থাকে। আসলে ভিটামিন বি হল ৮ টি আলাদা আলাদা ভিটামিনের সমষ্টি। এই আটটি ভিটামিন হল যথাক্রমে বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭, বি৯ এবং বি১২। কী কী কাজে আসে এই ভিটামিনগুলি? চলুন খোঁজ লাগানো যাক সে বিষয়ে।

ভিটামিন বি-১

বি১: এই ভিটামিনটিকে থায়ামিন নামেও ডাকা হয়ে থাকে। আমাদের নার্ভাস সিস্টেম যাতে ঠিক মতো কাজ করে সেদিকে খেয়াল রাখে এই ভিটামিনটি। সেই সঙ্গে কোষেদের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা নেয় বি১। প্রসঙ্গত, ডাল এবং হোল গ্রেন খাবারে এই ভিটামনটি প্রচুর পরিমাণে থাকে।
                                                                 
ভিটামিন বি২
বি২: হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ কমাতে এবং ব্লাড সেলের সংখ্যা বৃদ্ধিতেও এই ভিটামিনটি সাহায্য করে। তবে এখানেই শেষ নয়, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চুল এবং ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও এই বি২ বিশেষ কাজে আসে। তাই তো প্রতিদিন বি২ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- বিনস, দুধ, দই এবং ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। বি৩: হার্ট অ্যাটাকের কারণে যদি মরতে না চান, তাহলে এই ভিটমিনটির ঘাটতি যাতে কোনও সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
 ভিটামিন বি৩
বি৩ শরীরে উপস্থিত বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি ভাসকুলার ডিজঅর্ডার এবং শ্বাসকষ্ট জনিত নানাবিধ সমস্যাকে দূর রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে হাড়কে শক্তপোক্ত করতেও সাহায্য করে। সাধারণত সামদ্রিক মাছ, মাংস এবং বাদামে ভিটামিন বি৩-এর সন্ধান পাওয়া যায়।
চুলের যত্ন-চুল পড়া বন্ধ করুন

চুলের যত্ন-চুল পড়া বন্ধ করুন


 
চুল পড়ে যাওয়া সবার কাছেই খুব খারাপ অভিজ্ঞতা। চুল পড়া বন্ধ করতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি।
এমনকি, একের পর এক প্রসাধনীও ফেল করে যায় চুল পড়া বন্ধ করতে। যদিও, একটি বিষয় সব সময় মনে রাখা উচিত যে, যদি প্রতিদিন কারও ৫০-১০০টির মতন বা তার কিছু বেশি চুল ওঠে, তাহলে তা খুবই সাধারণ ব্যাপার। তবে, মুঠো মুঠো চুল পড়ে যেতে শুরু করলে তখন তা যথেষ্ট চিন্তার কারণ। এই দুশ্চিন্তাকে দূর করতে বাড়িতে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতেই পারে। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, বাড়িতে বসেই কীভাবে চুল পড়া বন্ধ করা যায়।
১. নারকেল
নারকেল তেলের কী কী গুণ আছে, তা তো আমরা সবাই জানি। তবে, অনেকেই আছেন যারা চুল পড়া শুরু হলে চুলে তেল দেওয়া বন্ধ করে দেন, যা একেবারেই উচিত নয়। কারণ নারকেল তেল চুলের সংখ্যায় বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে নারকেল তেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, খনিজ উপাদান এবং প্রোটিন থাকে, যা চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে পারে।
নারকেল তেলের পাশাপাশি নারকেলের দুধও চুলে ব্যবহার করা যায়।
পদ্ধতি- কিছুটা নারকেল তেল গরম করতে হবে। তারপর চুলের গোঁড়া থেকে আগা অবধি ভাল করে মালিশ করতে হবে। একঘণ্টা রেখে চুলে শ্যাম্পু করে নিতে হবে।

২. পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে, যা চুল লম্বা হতে এবং কোলাজেন উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। চুলের গোঁড়ায় পেঁয়াজের রস লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং নতুন চুল গজায়।
পদ্ধতি- একটি পেঁয়াজ টুকরো টুকরো করে কেটে তার ভেতর থেকে রস বের করে নিতে হবে। এবার সেই রস মাথায় ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে এবং চুল শুকিয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে দুইবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
৩. রসুন
পেঁয়াজের মতো রসুনেরও উচ্চমাত্রায় সালফার থাকে। এটি ব্যবহার করলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
পদ্ধতি- কয়েকটি রসুন থেঁতো করে নিতে হবে। এবার তার মধ্যে নারকেল তেল ঢেলে কয়েক মিনিটের জন্য ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা করে মাথায় মালিশ করতে হবে। ৩০ মিনিট রেখে তারপর চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে দুবার এটি করলে চুল ভালো থাকবে।

৪. হেনা
অনেকেই চুলে হেনা ব্যবহার করে থাকেন। হেনা মূলত চুলে রঙ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, হেনার আরও বহু গুণ রয়েছে। যেমন, হেনা চুলকে গোঁড়া থেকে শক্ত হতে সাহায্য করে। হেনার সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপাদান মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে মাখলে চুল ভাল থাকে।
পদ্ধতি- একটি পাত্রে ২৫০ মিলিলিটার সরষের তেল নিতে হবে। এরমধ্যে ৬০ গ্রাম পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখা হেনা পাতা অথবা মেহেন্দি পাতা দিতে হবে। এবার এটি ফুটাতে হবে এবং তেলটি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এই তেল প্রতিদিন মাথায় মালিশ করতে হবে। এই তেল খুব যত্ন করে হাওয়া রোধক পাত্রে রেখে দিতে হবে।
৫. জবা
জবা ফুল চুলের জন্য দারুণ উপকারি। এটি চুলকে পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে, চুল সাদা হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এমনকি, খুশকি দূর করে এবং চুল পড়ে যাওয়া বন্ধ করে।
পদ্ধতি- কয়েকটি জবা ফুলের সঙ্গে তিলের তেল এবং নারকেল তেল মিশিয়ে বেঁটে নিতে হবে। এবার চুলের গোঁড়ায় ভাল করে লাগাতে হবে। কয়েক ঘণ্টা চুলে রেখে দিতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে।
৬. আমলকী
যাদের খুব চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা আছে, তাদের জন্য আমলকী খুবই উপকারি। কারণ, আমলকীর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে।
পদ্ধতি- আমলকীর রস বা আমলকী গুঁড়ো লেবুর রসের সঙ্গে মেশাতে হবে। এবার চুলের গোঁড়ায় লাগাতে হবে এবং শুকিয়ে না যাওয়া অবধি রেখে দিতে হবে। এবার অল্প গরম পানিতে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

৭. ডিম
ডিমের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা আমাদের চুল পড়া বন্ধ করতে পারে। যেমন- সালফার, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, আয়োডাইন, জিঙ্ক এবং প্রোটিন। এই প্রতিটি উপাদানই চুল বৃদ্ধি করতে দারুণভাবে সাহায্য করে।
পদ্ধতি- একটি ডিমের সাদা অংশ নিতে হবে। এরমধ্যে এক চা চামচ অলিভ অয়েল মেশাতে হবে। এই দুই উপাদান ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্টের মতো বানাতে হবে। এবার চুলের গোঁড়ায় লাগাতে হবে। ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে।


আপনাকে ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।
কলা এবং বাদাম তেলের কার্যকারিতা-Banana and Nut Oil Pack

কলা এবং বাদাম তেলের কার্যকারিতা-Banana and Nut Oil Pack


কলা এবং বাদাম তেলের কার্যকারিতাঃ

     
      


   কলা এবং বাদাম তেলের কার্যকারিতাঃ 

চটজলদি যদি ত্বককে ফর্সা করে তুলতে হয়, তাহলে এই ফেস প্যাকটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। আসলে এই দুই প্রকৃতিক উপাদানে উপস্থিত ভিটামিন সি, বি৬ এবং আরও সব উপকারি উপাদান ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে কোলাজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এই ফেস প্যাকটি বানাতে প্রয়োজন পরবে ১ টা কলা এবং ১ চামচ বাদাম তেলের। এই দুটি উপাদান এক সঙ্গে মিশিয়ে বানানো পেস্টটা মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ দিন ত্বকের পরিচর্যা করলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

কাঁচা মরিচের গুণাবলী

কাঁচা মরিচের গুণাবলী

আপনি জানেন কি কাঁচা মরিচ আপনার শরীরের জন্য কতটা জরুরি?



কাঁচা মরিচের উপকারীতা

১. ওজন কমাতে সাহায্য করে: 
র্তমান যুগে এমন লোক খুব কমই আছেন যারা তাদের ওজন নয়ে চিন্তিত নন!
আজকের যুগের ট্রেন্ডই হল “স্লিম অ্যান্ড ফিট” শরীর। আর তা পেতে কেউ জিম মুখি, তো কেউ হট যোগাসনে ব্যস্ত। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে প্রতিদিন ২-৩ টি করে কাঁচা লঙ্কা খেলেও এক্ষেত্রে দারুন উপকার মিলতে পারে। একেবারেই ঠিক শুনেছেন! একাদিক গবেষণায় দেখা গেছে কাঁচা লঙ্কার অন্দরে ক্যালরি না থাকার কারণে এটি খেলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে না। সেই সঙ্গে এতে থাকা একাধিক উপকারি ভিটামিন এবং পুষ্টিকর উপাদান হজম ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার কোনও সুযোগই থাকে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। তাই এবার থেকে শরীরচর্চার পাশাপাশি কাঁচা লঙ্কা খাওয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন নিমেষে মেদ কমে যাবে।
যখন আপনি মেদ নিয়ে চিন্তিত... !!

২. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:



 হার্টের সমস্যা বর্তমান সমাজে একটি কমন সমস্যা হিসাবে ধরা হয়...

রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড এবং বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার মধ্যে দিয়ে হার্টকে তরতাজা রাখতে লঙ্কার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এখানেই শেষ নয়, এই সবজিটির শরীরে থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান ব্লাড ক্লট যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা কমে।


নিয়মিত আপডেট পেতে সংবাদ২৪ বুকমার্ক করে আমাদের সাথে থাকুন.... 

ধন্যবাদ
ত্বকের পরিচর্চায় পেঁপের কার্যকারীতা-Peper_Karjokarita

ত্বকের পরিচর্চায় পেঁপের কার্যকারীতা-Peper_Karjokarita


পেঁপে

পেঁপের মত শাসালো ফলটিকে দেবদূতের ফল হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন স্বয়ং ক্রিস্টোফার কলম্বাস| এতে বেশ একটা মাখনের মত মসৃন অনুভূতি হয়| কমলা রঙের ফল বলে এটি ভিটামিন এ, ক্যারোটিনোড, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত দ্রবণীয় ফাইবার সৌন্দর্যের বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ত্বকের জন্য আরেকটি চমৎকার উপাদান হল মধু| এটি একটি ঐন্দ্রজালিক উপাদান যা মানুষের দ্বারা তৈরি করা সম্ভব নয়। লক্ষ লক্ষ ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করার কাজ শুধু মৌমাছিদের পক্ষেই করা সম্ভব|
মধু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এবং এতে আন্টি মাইক্রোবিয়াল ও আন্টি ফাংগাল বৈশিষ্ট্যও আছে। অশোধিত বা জৈব মধুকেই সেরা বলে মানা হয়ে থাকে, যা তাপ দ্বারা শোধিত করা হয়নি| ত্বকে মধু উপকারের বিষয়ে আলোচনা করার আগে, প্রথমে আমরা পেঁপেতে থাকা গুণের দিকে নজর রাখি এবং জেনেনি কেন নিয়মিত ত্বকের যত্নে এই ফলটিকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত |
ত্বকে পেঁপে ব্যবহার করার ৫টি সুবিধার কথা বলা হল :
. ত্বক হাইড্র্যাট করে
একটি শাসালো ফল হওয়ার দরুন পেঁপেতে ইলেক্ট্রোলাইট থাকে যা কেবল ত্বককে হাইড্ৰেটই করে না, বরং ত্বকের পিএইচ অনুষঙ্গও নিয়ন্ত্রণ করে। একটি পেঁপের স্প্রে তৈরী করে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন, একটু নারকেল তেলের সাহায্যে|

২. বার্ধক্য রোধ করে
পেঁপে একটি দারুন এক্সফলিয়েটর| এতে আলফা-হাইড্রোক্সিল অ্যাসিড রয়েছে যা মৃত চামড়ার কোষগুলিকে দ্রবীভূত করে, ত্বকের দাগ নিরাময় করে এবং বলিরেখা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে| সমান পরিমানে পেঁপে এবং দই মিশিয়ে ত্বকে মালিশ করুন| শুধু মাত্র এক ভাবেই মালিশ করুন|
৩. ব্রণ হ্রাস
পেঁপেতে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম, পেপেন রয়েছে, যা ব্রণ ও পিম্পলগুলি গলিয়ে দিতে পারে| এটি ব্যাকটেরিয়ার ওপরেও প্রভাব ফেলে এবং ত্বককে জীবাণু মুক্ত করে তোলে| কাঁচা পেঁপের রস ব্যবহার করে একগুঁয়ে ব্রণর হাত থেকে রাতারাতি পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব|
৪. ট্যান দূর করে
গরম দেশে বসবাস মানে আপনার ত্বক একটু ট্যান হতে বাধ্য| সবচেয়ে চোখে লাগে যখন শরীরের কিছুটা জায়গা ট্যান হয়ে যায় অন্য জায়গার তুলনায়| আপনার প্রয়োজন শুধু পেঁপের রস এবং একটু মধু, যা ট্যান দূর করে ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা বজায় রাখে|
৫. অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ
মুখের অবাঞ্ছিত লোম সত্যিই বিব্রতকর হতে পারে| এসবের জন্য প্রতিবার বিউটি পার্লার যাওয়াটাও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে| একটি পেঁপে, মধু ও মুলতানি মাটির মাস্ক তৈরি করুন এবং সপ্তাহে অন্তত তিনবার আপনার মুখের উপর এটি ভালোভাবে প্রয়োগ করুন, মুখের লোম থেকে নিস্তার পেতে|
ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  😊😊